নয়ন রহমানঃ-
সাম্প্রতিক অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির তালিকাভুক্ত চক্ষুদাতা হিসেবে নাম লেখান এই অভিনেতা। তার মৃত্যুর পরপরই সমিতির পক্ষ থেকে চোখ দুটি সংগ্রহ করা হবে।
জামশেদ শামীম বলেন, এই চোখের প্রেমে অনেকেই পড়েছে। এই জোড়া চোখ শুধুই সুন্দর খুঁজছে পৃথিবীর বুকে। আমার মৃত্যুর পর যদি সেই চোখ জোড়া দিয়ে আরেকজন মানুষ সব সুন্দর দেখতে পায়, তাতে আমার আমি আনন্দ পাবে।
জামশেদ শামীম আশির দশকে গোপালগঞ্জ সদর থানার অন্তর্গত এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। বাবা পেশায় একজন সেনা কর্মকর্তা। তিন ভাই বোনের মধ্যে শামীম পরিবারের বড় সন্তান। জামশেদ শামীম দেশ নাটক থিয়েটারে যুক্ত থাকাকালীন অবস্থায় চলচ্চিত্রে পা রাখেন।‘দহন’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মনে জায়গা নেয় অভিনেতা জামশেদ শামীম। পরে স্বল্পদৈর্ঘ্য ‘এক যে ছিলো গ্যাংস্টার’ ও মিউজিক্যাল ফিল্ম ‘জায়গা দিও’র মাধ্যমে মিডিয়া পাড়ায় তার স্থান পাকাপোক্ত করতে সক্ষম হন। খুব শীঘ্রই দুটি সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করার কথা রয়েছে তার।
Discussion about this post